Ads increment 4

Class 9 Finance and Banking Assignment Answer 2nd Week

Ads increment 3

সকল চাকরির পরীক্ষার সময়সূচী ও ফলাফল মোবাইলে Notification পেতে নিচের Android apps মোবাইলে রাখেন: Jobs  EXam Alert 

Class 9 Finance and Banking Assignment Answer 2nd Week is available below. Class Nine Finance and Banking Assignment Question and Solution 2021, Finance Assignment Solved Class 9, Second-week Finance and Banking assignment Solve Class 9, Ditiyo soptaho assignment Finance Answer class 9, Education Ministry Under Secondary and Higher Education Division Publish 2nd week Finance and Banking Assignment Class 9. If You Looking For 2nd Week Class 9 Assignment Answer Finance and Banking Subject. See Full Solution Class 9 Assignment Answer Finance and Banking Subject 2nd Week

 

The directorate of secondary and higher education has already released the assignment syllabus. You Must Submit Your Assignment Your School. See Class 9 Answer Finance and Banking Subject 2nd Week Assignment.  

 

Ads increment 1

 

2nd Week Finance and Banking Assignment Answer for Class 9: 

Assignment Type: School /College Assignment 

সকল চাকরির পরীক্ষার সময়সূচী ও ফলাফল মোবাইলে Notification পেতে নিচের Android apps মোবাইলে রাখেন: Jobs  EXam Alert 

2nd Week Assignment Publish Date: 25 March 2021 

Assignment Class: Nine

Subject: Finance and Banking 

Board: All Education Board    

See/download School 2nd Week Assignment Question in the below PDF:  

School 2nd Week Assignment Question 2021 PDF

Official Notice Link: Click Here to see the Official Notice

See/download School 1st Week Assignment Question in the below images:  

School 2nd Week Assignment Notice 2021

2nd Week Assignment Answer for Class 9:  

Class 9 Assignment Finance and Banking 2nd Week 

Class 9 Assignment Finance and Banking 2nd Week 

Class 9 Assignment Finance and Banking Question and Solution 2nd Week 2021: 

Question: 

নিবন্ধ রচনাঃ 

‘অর্থায়নের ক্রমবিকাশ”

(নিবন্ধ রচনার ক্ষেত্রে ভূমিকা, অর্থায়নের ধারণা, ক্রমবিকাশ এবং উপসংহার লিখতে হবে।)

 

Solution: 

‘অর্থায়নের ক্রমবিকাশ”

প্রণীত এবং সর্বজন স্বীকৃত তাকে অর্থ বলে। মূলত বাস্তব পৃথিবীতে প্রতিটি মানুষের বিভিন্ন পন্য দরকার। কিন্তু একজন ব্যক্তি সকল পণ্য উৎপাদন করতে পারেন না। এই অবস্থায় দুজন দুজনের পণ্য চাহিদা মোতাবেক বিনিময় করাকে লেনদেন বলা হয়। সুপ্রাচীন কালে এটি বিনিময়ের মাধ্যম ছিল। বিনিময় যোগ্য একটি মাধ্যমের প্রয়োজন দেখা দেয় যা যেকোন সময় যেকোন ব্যক্তি গ্রহন করতে পারে। এই ব্যবস্থাকে অর্থ ব্যবস্থা বলে। বর্তমানে ধাতব কয়েন সহ কাগজের নোট মুদ্রা ব্যবস্থায় ব্যবহার হয়। আমাদের দেশে এটি টাকা নামে পরিচিত। অর্থাৎ টাকার বিনিময়ে যেকোন পণ্য বা সেবা ক্রয় করা যায়। কিন্তু বর্তমান যুগে কোন পণ্য উৎপাদনের জন্য উৎপাদনকারী ব্যক্তিকে কাচামাল, শ্রম, যন্ত্রপাতী ইত্যাদি ক্রয়ের জন্য মূলধন বা টাকার প্রয়োজন হয়। যখন কোন সমবায় সংগঠন একত্রে প্রয়োজনীয় অর্থ পণ্য উৎপাদনের জন্য নির্ধারন ও প্রদান করেন তাকে ব্যবসায় অর্থায়ন বলা হয়ে থাকে।

 

অর্থায়ন সাধারণ তহবিল ব্যবস্থাপনা নিয়ে কাজ করে থাকে। কোন উৎস থেকে কিভাবে অর্থ বা তহবিল সংগ্রহ করা যায়। কি পরিমান সংগ্রহ করাবে। কিভাবে ব্যবসায়ে ব্যয় করলে সার্বিক সর্বোচ্চ মুনাফা অর্জন করা যায় সেই সংক্রান্ত পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করাকে অর্থায়ন বলা হয়ে থাকে। যেমন কেউ যদি মাছ চাষ করতে চাই তাহলে তার প্রয়োজন হবে মাছের পোনা কেনা, পানি সরবরাহ বা মটর বসিয়ে বিদ্যুৎ খরচ করে পানি উত্তোলন করা, মাছের লালন পালন, খাবার প্রয়োগ, সার প্রয়োগ ইত্যাদি কাজে একাধিক শ্রমিক নিয়োগ। করতে হবে। আর এসব কাজে অর্থ প্রয়োজন। কিন্তু কোন কাজে কত অর্থ ব্যয় করলে মাছ বিক্রির থেকে সবচেয়ে বেশি লাভ করা যায় তা চিহ্নিত করেই মূলত টাকা খরচ করতে হয়। আর এই বিষয়কে বলা হয়ে থাকে অর্থায়ন। কিন্তু যখন কলকারখানাতে এক সাথে বহু প্রোডাক্ট উৎপাদনের ব্যবস্থা করা হয় তখন তাকে কোম্পানি বলে। কোম্পানির হিসাব মাছ চাষের মত সহজ সরল নয়।
এখানে অনেক বড় বিষয়, বিভিন্ন জিনিস পত্রের বিষয়, সরকারী ট্যাক্স, কাচামালের উৎস ও সরবরাহ, বৈদেশিক ইম্পোর্ট এক্সপোর্ট ইত্যাদি বিষয় জড়িত থাকে। কাজেই এসব ক্ষেত্রে বহুজাতিক তহবিল সংগ্রহ, শেয়ার ইত্যাদি পরিচালনার জন্য চাই অতি দক্ষ অর্থ ম্যানেজমেন্ট ব্যবস্থা। যা অর্থায়ন বিভাগ করে থাকে। যুক্তরাষ্ট্রে অর্থায়নের ফলে সেখানকার দ্রুত উন্নতি সারা বিশ্বেই অর্থায়নের বিবর্তন ধারা হিসাবে পরিচয় লাভ করে।

অর্থায়নের ক্রমোন্নয়ন ধারাকে পর্যায়ক্রমিকভাবে উপস্থাপনে দেখা যায়।

ক) ১৯৩০ এর পূর্ববর্তী দশকঃ ১৯৩০ এর পূর্ববর্তী সময়কালে যুক্তরাষ্ট্রে কোম্পানিগুলোর মধ্যে একত্রীকরণের প্রবণতা শুরু হয়। আর্থিক বিবরণী বিশ্লেষণ করে কোন প্রতিষ্ঠানের সাথে কোন প্রতিষ্ঠান একত্রিত হওয়া উচিত তার রুপরেখা বাস্তবায়নে আর্থিক ব্যবস্থাপকদের দায়িত্ব পালন করতে হয়। এর ফলে তারা একই উৎপাদন পণ্যের জন্য সম্মিলিত বিশাল অংকের অর্থায়ন ও আআর্থিক বিবরণী তোইরিতে দায়িত্ব পালন করেন।

সকল চাকরির পরীক্ষার সময়সূচী ও ফলাফল মোবাইলে Notification পেতে নিচের Android apps মোবাইলে রাখেন: Jobs  EXam Alert 

খ) ১৯৩০ এর দশকঃ এই একত্রীকরণ প্রবণতা যুক্তরাষ্ট্রেখুব বেশি সফলতা পায়নি। আগের দশকে একীভূত অনেক প্রতিষ্ঠানই পরের দশকে মুনাফা করতে না পেরে দেউলিয়া হয়ে যায়।  এবং ৩০ এর দশকে যুক্তরাষত্রে ব্যপক মন্দা দেখা দেয়। এতে অনেক লাভজনক প্রতিষ্ঠানও ক্ষতির সম্মুখীন হয়। এই অবস্থায় কোম্পানিগুলোকে দেউলিয়া থেকে রক্ষার জন্য আর্থিক ব্যবস্থাপক বিশেষ দায়িত্ব পালন করে এবং কোম্পানি শেয়ার বিক্রির মাধ্যমে  অর্থায়নের প্রয়োজন দেখা দেয়।

গ) ১৯৪০ এর দশকঃ এই দশকে ব্যবসা পরিকল্পিতভাবে ব্যবসা পরিচালনার জন্য তারল্যের প্রয়োজনীয়তা বিশেষভাবে উপলব্ধি হয়।
নগদ অর্থপ্রবাহের বাজেট করে সুপরিকল্পিত নগদপ্রবাহের মাধ্যমে অর্থায়ন সেই দায়িত্ব পালন করে।

ঘ)১৯৫০ এর দশকঃ এই দশকে আগের দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন করে সর্বোচ্চ মিনাফা লাভের জন্য বিনিয়োগ প্রকল্প মূল্যায়ন ও গাণিতিক বিশ্লেষণ কাজে নিয়োজিত হয়। সুদূরপ্রসারী প্রকল্পের মাধ্যমে উপযুক্ত ও দীর্ঘমেয়াদী বিনিয়োগ বৃদ্ধি ও ব্যয় হ্রাস করে মুনাফা সর্বোচ্চকরণ করাই তখন অর্থায়নের প্রধান কাজে পরিণত হয়। এই ধারাকে অর্থায়নের সনাতন ধারা হিসাবে গণ্য করা হয়।

ঙ) ১৯৬০ এর দশকঃ এই দশক থেকেই মূলত আধুনিক অর্থায়নের যাত্রা শুরু হয়। অর্থায়ন, মূলধন, বাজারকে অগ্রাধিকার দিতে শুরু করে। শেয়ারহোল্ডাররা প্রতিষ্ঠানের মালিক ফলে শেয়ার হোল্ডারদের সম্পদ শেয়ারের বাজারদর সর্বাধিকরণই ছিল এই সময়ের অর্থায়নের উদ্দেশ্য। এর ফলে আর্থিক নানা বিশ্লেষণমূলক কাজ শুরু হয়। অর্থায়নে ঝুকির ধারণা বুঝিয়ে দেয় যে মুনাফা বৃদ্ধির সাথে সাথে ঝুকিও বৃদ্ধি পায়। কাজেই মুনাফা বৃদ্ধি সর্বদা কাঙ্খিত নাও হতে পারে।

চ) ১৯৭০ এর দশকঃ এই দশক কম্পিউটারের যাত্রা শুরু করে, ১৯৭১ সালে মাইক্রোপ্রসেসর আবিষ্কারের ফলে হিসাব নিকাশ, বিশ্লেষণ, সির্ধান্ত গ্রহণে ব্যপক পরিবর্তন আসে যা শুধু উৎপাদন কৌশল নয়, ব্যবসায় অর্থায়নকেও পরিবর্তন করে দেয়। অর্থায়ন হয়ে ওঠে অংক নির্ভর।  বেশির ভাগ আর্থিক সির্ধান্ত জটিল অংক নির্ভর ও পূঙ্খানুপুঙ্খ ভাবে সম্পাদন করার প্রবনতা জনপ্রিয়তা পায় এবং ঝুকির ধারণা সঠিকভাবে পরিমাপ ও ব্যবস্থাপনা করা হয়। এই সময়ে যেসব তাত্ত্বিক ব্যবসায় অর্থায়নকে নানা তত্ত্বের বিশ্লেষণে সমৃদ্ধ করেছিলেন তাদের মধ্যে হ্যারি, মার্কোইজ, মার্টন মিলার, মডিগ্লিয়ানি উল্লেখযোগ্য ছিলেন। পরবর্তীতে ১৯৯০ এর দশকে এসব তাত্ত্বিকগণ তাদের বিশ্লেষণমূখী অর্থায়নের অবদানের জন্য নোবেল পুরস্কার পান।

ছ) ১৯৮০ এর দশকঃ ব্যবসা বৃদ্ধি বিন্যাস প প্রতিযোগীতামূলক বাজারব্যবস্থায় টিকে থাক্র জন্য অর্থায়ন আগের সনাতনী দায়িত্বের পরিবর্তন করে নতুন রুপে আবির্ভূত হয়। এ সময় মূলধনের সুদক্ষ বন্টন ব্যবস্থা, অর্জিত আয়ের বিচার বিশ্লেষন অর্থায়নের মূল বিষয় হয়।

জ) ১৯৯০ এর দশক বা আধুনিক অর্থায়নের সুচনাঃ এই দশকে ইন্টারনেটের প্রসারণের জন্য বিশ্বায়ন শুরু হয়। ফলে বিশ্বব্যাপী অর্থপ্রবাহের  শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য আর্থিক বিশেষ প্রতিষ্ঠান দরকার হয়ে পড়ে। ফলে সৃষ্টি হয় বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা বা World Trade Organization. এই প্রতিষ্ঠান আমদানী রপ্তানী প্রতিবন্ধকতা হ্রাস করে অর্থায়ন আন্তর্জাতিক রুপ দানে ভূমিকা পালন করে । এতে এক দিকে বিনিয়োগ সির্ধান্ত পৃথিবীর কোথায়, কোন পণ্য প্রস্তুত চাহিদা ও বিক্রয় করা লাভজনক সেটা বিবেচনা করে। আরেক দিকে বিশ্বের কোন্মূলধনি বাজার কি প্রকৃতির ও কোথা থেকে তহবিল সংগ্রহ লাভজনক, শ্রম ও কার্যকরী প্রযুক্তি কিন্তু সস্তাউ পাওয়া যাবে ইত্যাদি বিষয় অর্থায়নের বিষবস্তুতে পরিণত হয়। ফলে অর্থায়ন হল ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনায় একটি প্রয়োগিক সমাধানের ক্ষেত্র যা হিসাবরক্ষণ অর্থনীতি ও অন্যন্য আর্থিক বিষয়গুলোর সংমিশ্রণ সৃষ্টি করেছে।

উপসংহারঃ উপরিউক্ত ক্রমোবিকাশ থেকে দেখা যায় যে, আজকের ব্যবসায়িক নীতি নির্ধারন, স্থান, বাজার ইত্যাদি সবকিছু কম্পিউটার ভিক্তিক হয়েছে। তাই ব্যবসায়ে অর্থায়নও এখন কম্পিউটারে বিভিন্ন তথ্য উপাত্ত বিশ্লেষন করে ঝুকির সম্ভাব্য পরিমান নির্ণয় ও ক্ষেত্র ইত্যাদি নিরপন করার মাধ্যমে মুনাফা বৃদ্ধি পেয়েছে তথা ব্যবসায়ে সফলতা এসেছে। কিন্তু একই সাথে বিশ্বায়নের ফলে ব্যবসা, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এখন বিশ্বের এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্ত ছড়িয়ে পড়ায় সবকিছু ব্যবস্থাপনার জন্য আরও কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি, সুদক্ষ অর্থবিভাগ ইত্যাদি অর্থায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালনের উপর বর্তমান ব্যবসায়ে মুনাফা নির্ভর করে। তাই অর্থায়নের নিখুত হিসাব ও ব্যবস্থাপনা আরও বেশি চাহিদায় পরিণত হয়েছে। এর গুরুত্ব অপরিসীম। অর্থায়ন ছাড়া তাই ব্যবসা পরিচালনা কল্পনা করা যায়না।

 

Courtesy: To all authorities from where documents are collected

N.B: Generally we try to update any news. For any Change, reform, and republished of any news we are not responsible.

For more update stay with our website jobstestbd.com

Hope You Find The Answer For the 2nd Week Class 9 Assignment Finance and Banking Subject. Ask me Anything Related to Education by comment below. 

 

Contact Us:

If you want to give advertisement in our website for any product of your organization please contact with us by following Address.

Inbox to Facebook: jobstestbd.com
Email at: jobstestbd.com@gmail.com
Contact No.: 01720403750

Mirpur 1, Dhaka, Bangladesh.

Leave a comment