Class 9 Assignment Answer 1st Week 2021

Class 9 Assignment Answer 1st Week 2021 has been published. Class 9 Bangladesh and Global Studies Assignment Answer 1st Week 2021, Class 9 General Science Assignment Answer 1st Week 2021, 1st Week Class 9 Bangladesh and Global Studies Assignment Answer 2021, 1st Week Class 9 Assignment Answer 2021, 1st Week Class 9 Assignment Solution 2021, 1st Week Class 9 Science Assignment Answer 2021,  Assignment Answer of 1st Week Class 9 of BGS 2021, Assignment Answer Class 9 Bangladesh and Global Studies 1st Week 2021, Assignment Answer Class 9 in 1st Week 2021 are search option to get all information of Class 9 Assignment Answer 1st Week 2021.

 

 

 

 

Class 9 Assignment Answer 1st Week 2021: 

Assignment Type: School Assignment 

1st Week Assignment Publish Date: 16 March 2021 

সকল চাকরির পরীক্ষার সময়সূচী ও ফলাফল মোবাইলে Notification পেতে নিচের Android apps মোবাইলে রাখেন: Jobs  EXam Alert 

Assignment Class: 9 

Week: 1st Week

Assignment Subject:

1. Bangladesh and Global Studies

2. General Science 

Board: All Education Board 

 

See more…. 

 

Class 9 Assignment Bangladesh and Global Studies Part Solution:  

১৯৫২, ১৯৬৬, ১৯৭০ সাল বাংলাদেশের ইতিহাস বিনির্মাণে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কিছু সময়। এর মাঝে কোন সালের ঘটনাপ্রবাহ বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনে অধিকতর প্রেরণা যুগিয়েছিল বলে তুমি মনে কর? যুক্তিসহ তোমার মতামত তুলে ধর।

সমাধানঃ       

প্রশ্নে উল্লেখিত সালগুলাে হলাে ১৯৫২, ১৯৬৬ ও ১৯৭০। নিম্নে এই সালগুলাের সাথে সম্পর্কিত ঘটনাগুলি ধারাবাহিকভাবে উল্লেখ করা হলাে:

১৯৫২ সাল (ভাষা আন্দোলন)

১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন ছিল পূর্ব পাকিস্তানের (বর্তমান বাংলাদেশ) একটি সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক আন্দোলন। ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান গঠনের পর পশ্চিম পাকিস্তানের রাজনীতিবিদরাই পাকিস্তান সরকারের প্রাধান্য পায়। পাকিস্তান সরকার ঠিক করে উর্দু ভাষাকে সমগ্র পাকিস্তানের জাতীয় ভাষা করা হবে, যদিও পূর্ব পাকিস্তানে উর্দু ভাষার চল ছিলাে খুবই কম। পূর্ব পাকিস্তানের বাংলা ভাষাভাষী মানুষ | (যারা সংখ্যার বিচারে সমগ্র পাকিস্তানে সংখ্যাগরিষ্ঠ ছিলেন) এই সিদ্ধান্তকে মােটেই  মেনে নিতে চায়নি। পূর্ব পাকিস্তানে বাংলাভাষার সম-মর্যাদার দাবীতে শুরু হয়। আন্দোলন। ১৯৫২ সালের ফেব্রুয়ারী মাসে পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর খাজা নাজিমুদ্দিন জানান যে পাকিস্তান সরকারের সিদ্ধান্ত মেনে নেওয়া হবে। এই ঘােষণার ফলে আন্দোলন আরাে জোরদার হয়ে ওঠে। পলিশ ১৪৪ ধারা জারি করে মিটিং-মিছিল। ইত্যাদি বে-আইনি ঘােষণা করে। ২১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫২ সালে এই আদেশ অমান্য করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়-এর অনেক ছাত্র ও আরাে কিছু রাজনৈতিক কর্মীরা মিলে একটি  মিছিল শুরু করেন। মিছিল ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ-এর কাছে এলে পুলিস মিছিলের উপর গুলি চালায়। গুলিতে নিহত হন আব্দুস সালাম,রফিক, বরকত, জব্বার সহ আরাে অনেকে। এই ঘটনার প্রতিবাদে সারা পূর্ব। পাকিস্তানে আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে ও তীব্র আকার ধারন করে। অবশেষে পাকিস্তান। সরকার বাধ্য হয় বাংলা ও উর্দুভাষাকে সমমর্যাদা দিতে।

 

১৯৬৬ সাল (ছয় দফা)

১৯৬৬ সালে সংঘটিত হয় ঐতিহাসিক ৬ দফা। ঐতিহাসিক ৬ দফার প্রবক্তা জাতির | পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। পূর্ব । বাংলার জনগণের প্রতি পাকিস্তান রাষ্ট্রের চরম বৈষম্যমূলক আচরণ ও অবহেলার বিরুদ্ধে আন্দোলন ও সংগ্রাম সুস্পষ্ট রূপ
লাভ করে ছয় দফার স্বায়ত্তশাসনের দাবিনামায়। ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি লাহােরে অনুষ্ঠিত বিরােধী দলসমূহের এক। সম্মেলনে যােগদান করেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ মুজিবুর রহমান। সেখানে তিনি সংবাদ সম্মেলন করে পূর্ব সেখানে তিনি সংবাদ সম্মেলন করে পূর্ব পাকিস্তানের জনগণের অধিকার রক্ষার জন্য ছয় দফা দাবি তুলে ধরেন। দফাগুলাে হলাে:

১ম দফা : লাহাের প্রস্তাবের ভিত্তিতে পাকিস্তানের জন্য সত্যিকার অর্থে একটি যুক্তরাষ্ট্রীয় শাসনতন্ত্র প্রণয়ন করতে হবে। সরকার হবে সংসদীয় পদ্ধতির । সর্বজনীন ভােটাধিকারের ভিত্তিতে সকল প্রাপ্ত বয়স্কের ভােটে জাতীয় ও প্রাদেশিক আইনসভাগুলাে গঠিত হবে ।

২য় দফা : যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকারের হাতে থাকবে দেশরক্ষা ও পররাষ্ট্র বিষয়। অবশিষ্ট সকল বিষয় প্রদেশের হাতে থাকবে ।

৩য় দফা : দেশের দুই অঞ্চলের জন্য দুটি পৃথক অথচ সহজ বিনিময়যােগ্য মুদ্রা চালু থাকবে অথবা দেশের দুই অঞ্চলের জন্য একই মুদ্রা থাকবে। তবে সংবিধানে এমন ব্যবস্থা রাখতে হবে যাতে এক অঞ্চলের মুদ্রা ও মূলধন অন্য অঞ্চলে পাচার হতে না পারে।

৪র্থ দফা : সকল প্রকার ট্যাক্স, খাজনা ও কর ধার্য এবং আদায়ের ক্ষমতা প্রাদেশিক সরকারের হাতে থাকবে তবে কেন্দ্রিয় সরকারের ব্যয় নির্বাহের জন্য আদায় কৃত অর্থের একটি অংশ কেন্দ্রিয় সরকার পাবে ।

৫ম দফা ; বৈদেশিক বাণিজ্যি ও বৈদেশিক মুদ্রার উপর প্রাদেশিক সরকারের ক্ষমতা থাকবে। সকল প্রকার বৈদেশিক চুক্তি ও সহযােগিতার ব্যাপারে প্রাদেশিক সরকার দায়িত্ব পালন করবে। তবে যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকারের বৈদেশিক মুদ্রার চাহিদা যুক্তিযুক্ত হারে উভয় সরকার কর্তৃক মেটানাে হবে।

৬ষ্ঠ দফা : আঞ্চলিক নিরাপত্তার জন্য আঞ্চলিক সরকারগুলাে স্বীয় কর্তৃত্বাধীন আধা সামরিক বাহিনী (প্যারা মিলিশিয়া) গঠন ও পরিচালনা করতে পারবে।

ছয় দফা কর্মসূচির মূল আবেদন ছিল পূর্ব পাকিস্তান শুধু একটি প্রদেশ নয় বরং একটি স্বতন্ত্র স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল । সকল প্রকার শােষণ ও বঞ্চনার অবসান ঘটানােই ছিল এর লক্ষ্য।

 

১৯৭০ সালের (নির্বাচন): 

অশান্ত রাজনৈতিক পরিবেশে ১৯৬৯ সালের ২৫ মার্চ জেনারেল ইয়াহিযা খান ক্ষমতা গ্রহণ করেন এবং সমগ্র পাকিস্তানে সামরিক শাসন জারি করেন। জাতির উদ্দেশে ̈ এক বেতার ভাষণে তিনি ১৯৭০ সালের ৫ই অক্টোবর সর্বজনীন প্রাপ্তবয়স্ক ভোটাধিকারের ভিত্তিতে পাকিস্তানের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে ঘোষণা প্রদান করেন।

নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বি রাজনৈতিক দলসমূহ: 

জাতীয় পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭০ সালের ৭ ডিসেম্বর। প্রাদেশিক পরিষদসমূহের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ১৯ ডিসেম্বর। নির্বাচনে ২৪টি রাজনৈতিক দল এবং বেশ কিছু স্বতন্ত্র প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে। দলগুলোর মধ্যে  উল্লেখযোগ্য হচ্ছে আওয়ামী লীগ, পাকিস্তান পিপলস পার্টি (পি.পি.পি) , ন্যাপ (ওয়ালী খান), মুসলিম লীগের বিভিন্ন গ্রুপ, জামায়াত-ই-ইসলামী, জমিয়তে উলামা-ই-ইসলাম, জমিয়তে উলামা-ই-পাকিস্তান, নিজামে ইসলাম, পাকিস্তান ডেমোক্রেটিক পার্টি (পি.ডি.পি) ইত্যাদি।

ফলাফল

নির্বাচনী ফলাফলনির্বাচনী ফলাফলে দেখা যায, জাতীয় পরিষদে আওয়ামী লীগ পূর্ব পাকিস্তানের ১৬৯টি আসনের মধ্যে ১৬৭টি আসন (৭টি মহিলা আসনসহ) লাভ করে। জাতীয় পরিষদের ৩১৩টি আসনের মধ্যে ১৬৭টি আসন পেয়ে আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ সংখ্যা গরিষ্ঠতা পায়।  জাতীয় পরিষদে পশ্চিম পাকিস্তানের জন্য বরাদ্দকৃত ১৪৪টি আসনের মধ্যে ৮৮টি আসন লাভ করে ভূট্টোর পিপলস পার্টি। প্রাদেশিক পরিষদের ৩০০টি আসনের মধ্যে আওয়ামী লীগ ২৮৮টি আসন লাভ করে। প্রদত্ত ভোটের ৮৯ ভাগ পায় দলটি। আওয়ামী লীগ সংরক্ষিত ১০টি মহিলা আসন সহ নির্বাচনে ৩১০টি আসনের মধ্যে সর্বমোট ২৯৮টি আসনলাভ করে।

১৯৭০ এর নির্বাচনের গুরুত্ব: 

১৯৭০ এর নির্বাচনের গুরুত্ব অপরিসীম। এর ফলে পশ্চিম পাকিস্তানী শাসকগোষ্ঠী বিপাকে পড়ে যায়। শেখ মুজিব তথা বাঙ্গালির কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর ছাড়া আর কোন পথ খোলা ছিল না। নিম্নে ১৯৭০ এর নির্বাচনের  গুরুত্ব বর্ণনা করা হল-

(১) নির্বাচনের মধ্য  ̈দিয়ে বাঙ্গালী জাতীয়তাবাদের জয় হয়েছে। কারণ আওয়ামী লীগের বিজয় ছিল বাঙ্গালী জাতীয়তাবাদেরই বিজয়।

(২) জনগণ ছয়দফা প্রশ্নে আওয়ামী লীগকে পূর্ণ সমর্থন দিয়েছে। নির্বাচনে জয়লাভ করেআওয়ামী লীগের ছয় দফা থেকে সরে আসার পথ খোলা ছিল না।

(৩) এই নির্বাচনের মাধ্যমে স্পষ্ট হয়ে যায়, পাকিস্তান ভৌগোলিক কারণে কার্যত বিভক্ত হয়ে পড়েছে। কেননা পাকিস্তানের  কোন রাজনৈতিক দল বা নেতার পাকিস্তনের দু’অংশে গ্রহণযোগ ̈তা ছিল না।

 

Class 9 Assignment General Science Part Solution:  

প্রশ্নঃ ০১ 

১। বৃহস্পতিবার প্রমার আম্মু চাল, ডাল, উদ্ভিজ্জভোজ্য তেল, সবজি এবং মাংস মিশিয়ে খিচুড়ি রান্না করলেন। বিকেলে প্রমা পেয়ারে খেতে খেতে তার আব্বুকে বললো যে কাল তারা বাইরে বেড়াতে যাবে এবং বাইরে খাবে। কথামত শুক্রবারে তারা বাইরে গিয়ে দুপুরে ফ্রাইড রাইস, ফ্রাইড চিকেন, সফট ড্রিংক এবং বিকেলে বার্গার খেলো।

সমাধানঃ 

ক) প্রমার গৃহীত খাবারগুলোর মধ্যে কোন খাবারটি ভিটামিন E সমৃদ্ধ?
সব রকম উদ্ভিজ্জ ভােজ্য তেলে ভিটামিন E এর ভালাে উৎস। প্ৰমার গৃহীত খাবারগুলােম মধ্যে উদ্ভিজ্জ ভােজ্য তেল জাতীয় খাবারটি ভিটামিন E সমৃদ্ধ।

সকল চাকরির পরীক্ষার সময়সূচী ও ফলাফল মোবাইলে Notification পেতে নিচের Android apps মোবাইলে রাখেন: Jobs  EXam Alert 

খ) উল্লেখিত খাবারগুলোর মধ্যে কোন খাবার উদ্ভিজ্জ উৎস ও কোন কোন খাবার প্রাণিজ উৎস থেকে পাওয়া তা ছকের মাধ্যমে দেখাও।

উল্লিখিত খাবারগুলাের মধ্যে যে খাবার উদ্ভিজ্জ উৎস এবং যে যে খাবার প্রাণীজ উৎস থেকে পাওয়া যায় তা ছকের মাধ্যমে দেখানাে হলােঃ

 

উদ্ভিজ্জ উৎস প্রাণীজ উৎস
শ্বেতসারঃ চাল, ডাল, উদ্ভিজ্জ তেল এবং সবজি গ্লাইকোজেনঃ পশু ও পাখি জাতীয় যেমনঃ মুরগী, কবুতর প্রর্ভতি। প্রাণীর মাংসে গ্লাইকোজেন শর্করা থাকে।

গ) বৃহস্পতিবার প্রমার গৃহীত খাবারের একটি সুষম খাদ্য পিরামিড এঁকে উপস্থাপন কর?

আমরা জানি যে খাদ গুনাগুন অনুসারে থাকে এবং যে খাদ্য গ্রহণ করলে দেহে কাজকর্মের জন্য উপযুক্ত পরিমাণ ক্যালোরি পাওয়া যায় তাকে সুষম খাদ্য । বলে উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রমার গৃহীত খাবার ও সুষম খাদ্যের মধ্যে পড়ে।

সুষম খাদ্যের পিরামিড অঙ্কন করা হলঃ 

স্নেহ ও চর্বি জাতীয় খাদ্য কে সাজালো যে কাল্পনিক পিরামিড তৈরি হয় তাকে সুষম খাদ্য পিরামিড পিরামিড এর দিকে তাকালে কোন ধরনের খাদ্য উপাদান কতটুকু খেতে তার একটা ধারণা পাওয়া যায়।

 

ঘ) প্রমার স্বাস্থ্য রক্ষায় কোন দিনের খাবারটি অধিকত সহায়ক? যুক্তিসহকারে বিশ্লেষণ কর।

প্রমার স্বাস্থ্য রক্ষায় বৃহস্পতিবার রান্না করা খাবার অধিকতর সহায়ক । কারণ ঐ দিনের রান্না করা খাবারের প্রয়োজন শর্করা ও আমিষের পরিমাণ বিদ্যমান আছে । কিন্তু প্রমা পরেরদিন বাইরে বেড়াতে গিয়ে যে খাবারগুলো গ্রহণ করেছে তা ফাস্টফুড জাংক ফুড এর আওতাভুক্ত। কারণ হচ্ছে এমন এক ধরনের খাবার যা স্বাস্থ্যগত উপাদান এর পরিবর্তে মুখরোচক স্বাদের জন্য উৎপাদন করা হয়। এগুলো খেতে খুব সুস্বাদু মনে হতে পারে কিন্তু বেশিরভাগ সময়ই এই খাবার শরীরের জন্য ভালো নয় সুস্বাদু করার জন্য এতে প্রায় অতিরিক্ত রাসায়নিক পদার্থ থাকে যেগুলো অস্বাস্থ্যকর।  ফাস্টফুডে সাধারণত প্রচুর পরিমাণে প্রাণীর চর্বি ও চিনি থাকে।  বার্গার চিকেন পিজ্জা কেক কিংবা উচ্চমাত্রায় প্রাণীর চর্বি থাকে।  সফট ড্রিংস কোকাকোলার মত গ্যাসীয় পানিতে অতিরিক্ত চিনি থাকে।  ফাস্টফুডে আমাদের জন্য দরকারি ভিটামিন ও খনিজ পদার্থের অভাব রয়েছে। ফাস্টফুড খাওয়ার কারণে উঠতি বয়সী ছেলেমেয়েদের দেহ স্থূলকায় হয়ে পড়ে। এ ধরনের খাবারের চেয়ে প্রাকৃতিক সজীব খাবার স্বাস্থ্যের জন্য অনেক ভালো।

বলা যায় যে, প্রমার স্বাস্থ্য রক্ষায় প্রথম দিনের গৃহীত খাবারটি অধিকতর সহায়ক ।

প্রশ্নঃ ০২ 

২। শিক্ষার্থী হিসেবে তোমার ২৪ ঘন্টার একটি রুটিন তৈরী কর এবং সেখানে নিম্নলিখিত বিষয়গুলো উপস্থাপন কর।

ক) তিনবেলার খাবার, টিফিন ও বিকালের নাস্তা

খ) বিশ্রাম (ঘুম) ও শরীর চর্চা

গ) সারাদিনের কার্যাবলী (পড়ালেখা, ঘরের কাজ, বাইরের কাজ ইত্যাদি)

ঘ) খেলাধুলা (বাড়িতে)

ঙ) প্রার্থণা

চ) অবসর

সমাধানঃ  

আমি ইসলাম ধর্মের অনুসারী। তাই আমার রুটিন ধর্মের ইবাদত অনুসারে আবর্তিত হবে। আমার ২৪ ঘণ্টার রুটিন নিম্নরুপঃ

১। ভোর ৫:১০ টায় – ঘুম থেকে উঠা।

২। ৫:২০ টায় (কালভেদে এই সময় পরিবর্তন হবে) ফজরের নামায।

৩। ৬:০০ টায় হালকা নাস্তা।

৪। সকাল ৬:৩০ টায় কিছুক্ষণ শরীরচর্চা।

৫। সকাল ৭:০০ টায়  সকালের নাস্তা।

৬। সকাল ৭:০০ টায় পড়তে বসা (বাংলা, ইংরেজি)।

৭। সকাল ৯:০০ টায় স্কুলে যাওয়ার জন্য ব্যাগ, বই খাতা ও পড়ার টেবিল গুছানো।

৮। সকাল ৯:৩০ – দুপুর ১:২০ টায় – বিদ্যালয়ে অবস্থান ও ক্লাস করা।

৯। দুপুর ১.৩০ টিফিন টাইমে জোহরের নামায পড়া ও টিফিন করা।

১০। দুপুর ২.০০ টা থেকে ৪.০০ পর্যন্ত বিদ্যালয়ে অবস্থান ও ক্লাস করা।

১১। স্কুল ছুটি হলে বাসায় গিয়ে ৪.৩০ থেকে ৫.০০ পর্যন্ত ফ্রেশ হয়ে আসরের নামায পড়ি।

১২। বিকেল ৫.১০ থেকে মাগরিবের নামায পড়ার আগ পর্যন্ত খেলাধুলা করি ও  বিশ্রাম নিয়ে থাকি।

১৩। মাগরিবের নামায শেষে হালকা নাস্তা  করে ৭.২০  থেকে রাতের পড়াশুনা, খাবার খেয়ে রাত ১১.১০ এ ঘুমানোর জন্য প্রস্তুতি নেওয়া।

১৪। রাত ১১:২০ থকে ভোর ৫:১০ টা পর্যন্ত ঘুম।

 

 

See/download School 1st Week Assignment Question Answer details Solution, Full Question, All Subject in below PDF: 

 

School 1st Week Assignment Question 2021 PDF

 

Official Notice Link: Click Here to see the Official Notice

See/download School 1st Week Assignment Question Answer details Solution, Full Question, All Subject in below images:  

এ্যাসাইনমেন্ট গ্রিড অনুসরণ করে শিক্ষার্থীদের সকল শ্রেনীর এ্যাসাইনমেন্ট 

School Assignment Answer for Class 9:

Class 9 Assignment Bangla 1st Week 

Class 9 Assignment Bangladesh & Global Studies BGS 1st Week

Class 9 Assignment Science 1st Week

Courtesy: To all authorities from where documents are collected

N.B: Generally we try to update any news. For any Change, reform, and republished of any news we are not responsible.

For more update stay with our website jobstestbd.com

 

Hope You Find The Answer For All Class Assignment All Subject. Ask me Anything Related to Education by the comment below.

 

Contact Us:

If you want to give advertisement in our website for any product of your organization please contact with us by following Address.

Inbox to Facebook: jobstestbd.com
Email at: jobstestbd.com@gmail.com
Contact No.: 01720403750

 

Mirpur 1, Dhaka, Bangladesh.

Leave a comment

About Abd Mamin

I am a passionate blogger and at present working in a Government organization. I have completed my MBA from Rajshahi University. Educational content writing is my dearest passion. I hope all my educational content will help you in several extent. Thank you for visiting our website.
View all posts by Abd Mamin →