Ads increment 4

Class 8 BGS Assignment Answer 2nd Week

Ads increment 3

সকল চাকরির পরীক্ষার সময়সূচী ও ফলাফল মোবাইলে Notification পেতে নিচের Android apps মোবাইলে রাখেন: Jobs  EXam Alert 

Class 8 BGS Assignment Answer 2nd Week is available below. Class Eight Bangladesh and Global Studies (BGS) Assignment Question and Solution 2021, Global Studies Assignment Solved Class 8, Second-week BGS assignment Solve Class 8, Ditiyo soptaho BGS assignment Answer 2nd Week. If You Looking For 2nd Week Class 8 Assignment Bangladesh and Global Studies (BGS) English Subject. See Full Solution Class 8 BGS Assignment Answer All Subject 2nd Week.

 

The directorate of secondary and higher education has already released the assignment syllabus. You Must Submit Your Assignment Your School. See Class 8 Answer Bangladesh and Global Studies (BGS) Subject 2nd Week Assignment.   

 

Ads increment 1

 

2nd Week Bangladesh and Global Studies (BGS) Assignment Answer for Class 8:  

Assignment Type: School /College Assignment 

সকল চাকরির পরীক্ষার সময়সূচী ও ফলাফল মোবাইলে Notification পেতে নিচের Android apps মোবাইলে রাখেন: Jobs  EXam Alert 

2nd Week Assignment Publish Date: 25 March 2021 

Assignment Class: Eight

Subject: Bangladesh and Global Studies (BGS)

Board: All Education Board    

See/download School 2nd Week Assignment Question in the below PDF:  

School 2nd Week Assignment Question 2021 PDF

Official Notice Link: Click Here to see the Official Notice

See/download School 1st Week Assignment Question in the below images:  

School 2nd Week Assignment Notice 2021

2nd Week Assignment Answer for Class 7: 

Class 8 Assignment Bangladesh & Global Studies BGS 2nd Week 

Class 8 Assignment BGS 2nd Week 

Class 8 Assignment Bangladesh and Global Studies (BGS) Question and Solution 2nd Week 2021: 

Question:  

১৭৫৭ সাল থেকে ১৯৪৭ সাল পর্যন্ত ১০টি উল্লেখযোগ্য ঘটনার সময়কালসহ একটি পোস্টার তৈরি কর।

সংকেতঃ 

১। সাল উল্লেখ

২। ঘটনার বর্ণনা

৩। উপস্থাপনায় বৈচিত্র্য

Solution: 

বাঙ্গালী জাতি বীরের জাতি। বিভিন্ন সময়ের ন্যায় ১৭৫৭ সাল থেকে ১৯৪৭ সাল পর্যন্তও বিভিন্ন ধরণের ঘটনা ঘটেছে। নিম্নে ১৭৫৭ সাল থেকে ১৯৪৭ সাল পর্যন্ত ১০টি উল্লেখযোগ্য ঘটনার বর্ণনা দেওয়া হলো।

 

১৭৫৭ সাল থেকে ১৯৪৭ সাল পর্যন্ত ১০টি উল্লেখযোগ্য ঘটনার সময়কালসহ একটি পোস্টার

পলাশীর যুদ্ধ (১৭৫৭ সাল)

১৭৫৭ সালের ২৩শে জুন, দিনটির সূর্যাস্ত নিছক দিনের শেষে সাধারণ সূর্যাস্ত ছিলো না। পরদিন দিনের স্বাভাবিক নিয়মে সূর্যোদয় হলেও ২৩শে জুন পলাশীর ময়দানে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানীর কাছে নবাব সিরাজ-উদ-দৌলার পরাজয়ের মধ্য দিয়ে বাংলাসহ ভারতীয় উপমহাদেশের আজাদীর যে সূর্যাস্ত হয়, নতুন করে আজাদীর সেই সূর্য উদয়ের জন্য অপেক্ষা করতে হয় একশত নব্বই বছর। পলাশীর যুদ্ধ ১৭৫৭ সালের ২৩ জুন নওয়াব সিরাজউদ্দৌলা ও ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি এর মধ্যে সংঘটিত। এ যুদ্ধ আট ঘণ্টার মতো স্থায়ী ছিল এবং প্রধান সেনাপতি মীরজাফর আলী খানের বিশ্বাসঘাতকতার দরুণ নওয়াব কোম্পানি কর্তৃক পরাজিত হন। এ যুদ্ধের রাজনৈতিক ফলাফল ছিল সুদূরপ্রসারী ও ধ্বংসাত্মক এবং এ কারণে যদিও এটি ছোট খাট দাঙ্গার মতো একটি ঘটনা ছিল, তবু এটিকে যুদ্ধ বলে বাড়িয়ে দেখানো হয়। এর ফলে বাংলায় ব্রিটিশ শাসনের ভিত্তি প্রতিষ্ঠিত হয়।

বক্সারের যুদ্ধ (১৭৬৪)

নবাব মীর কাসিম ও তাঁর মিত্রশক্তির সঙ্গে ইংরেজদের যুদ্ধ হয় বক্সারের প্রান্তরে ১৭৬৪ সালে। পলাশীর যুদ্ধের (১৭৫৭) পর ইংরেজ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির লোকেরা মনে করত বাংলার ঐশ্বর্য অফুরন্ত। ফলে তাদের লোভ-লালসার মাত্রা ছাড়িয়ে যায়। বক্সার ছিল একটি চূড়ান্ত যুদ্ধ। এ যুদ্ধের পর বাংলা ইংরেজ কোম্পানির শাসনের অধীনে আবদ্ধ হয়। এত দিন পর্যন্ত ইংরেজরা ছিল ক্ষমতার ভাগাভাগি ও সুযোগ-সুবিধা আদায়ের জন্য শাসকের প্রতিদ্বন্দ্বী এবং তাদের ক্ষমতা লাভ ছিল নিতান্তই আকস্মিক ও অনিশ্চিত। বক্সারের যুদ্ধের পর ইংরেজদের ক্ষমতা হয়ে ওঠে অপ্রতিরোধ্য এবং তারা রাজকীয় স্বীকৃতি লাভের কাছাকাছি এসে পৌঁছে। এ যুদ্ধের পর অযোধ্যার ভাগ্যও কোম্পানির অনুকম্পার ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ে এবং বাংলায় ব্রিটিশদের চূড়ান্ত কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠার পথ সুগম হয়। বাংলার নবাব তাঁর অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক নিরাপত্তার জন্য ইংরেজদের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েন।

দ্বৈত শাসন (১৭৬৫ সাল)

১৭৬৫ সালে লর্ড ক্লাইভ বাংলার নবাব থেকে দেওয়ানি সনদ প্রাপ্ত হলে যে শাসন প্রণালীর উদ্ভব হয়, তা ইতিহাসে দ্বৈত শাসন নামে পরিচিত। মীর জাফরের মৃত্যুর পর লর্ড ক্লাইভ ১৭৬৫ সালে মোগল সম্রাট দ্বিতীয় শাহ আলোমের কাছ থেকে বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার দেওয়ানি লাভ করে। এ সময় কিছু শর্ত সাপেক্ষে মীরজাফরের পুত্র নাজিম উদ্দৌলা বাংলার সিংহাসনে বসানো হয়। শর্ত মোতাবেক নাজিম-উদ-দৌলা তাঁর পিতা মীর জাফরের ন্যায় ইংরেজদের বিনা শুল্কে অবাধ বাণিজ্য করার সুযোগ দেবেন এবং দেশীয় বণিকদের অবাধ বাণিজ্যের সুবিধা বাতিল করবেন। এই ব্যবস্থার ফলে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি প্রচুর অর্থনৈতিক ক্ষমতার অধিকারী হয়ে উঠে এবং বাংলার নবাব সামান্য বৃত্তিভোগী কর্মচারীতে পরিণত হন। ১৭৭২ সালে দ্বৈত শাসন ব্যবস্থা লর্ড ওয়ারেন হেস্টিংস কর্তৃক বাতিল হয়।

সকল চাকরির পরীক্ষার সময়সূচী ও ফলাফল মোবাইলে Notification পেতে নিচের Android apps মোবাইলে রাখেন: Jobs  EXam Alert 

 

ছিয়াত্তরের মন্বন্তর (১৭৭০ সাল/ বাংলা ১১৭৬) 

আমরা জানি, দুর্ভিক্ষ হল কোন এলাকার ব্যাপক খাদ্য ঘাটতি। সাধারণত ফসলহানি, যুদ্ধ, সরকারের নীতিগত ব্যর্থতা ইত্যাদি কারণে দুর্ভিক্ষ সংগঠিত হয়। এছাড়া প্রাকৃতিক দুর্যোগ, গবাদিপশুর মড়ক, পোকাড় আক্রমন ইত্যাদি কারণেও দুর্ভিক্ষ সংগঠিত হয়। ১৭৭০ সালে বাংলাদেশে এক ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ দেখা দিয়েছিল। সময়টি বাংলা ১১৭৬ সাল হওয়ায় এই দুর্ভিক্ষ ছিয়াত্তরের মন্বন্তর নামে পরিচিত হয়। অতি বৃষ্টি ও বন্যার কারণে কৃষি ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হওয়ায় সমগ্র দেশজুড়ে চরম অর্থনৈতিক মন্দা দেখা দেয়। ত্রুটিপূর্ণ ভূমিরাজস্ব ব্যবস্থা ও খাদ্যবাজারে দালাল ফড়িয়া শ্রেনীর দৌরাত্ম্যের ফলে অবস্থা আরো শোচনীয় হয়ে পড়ে।

 

চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত  (১৭৯৩ সাল) 

চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত  ১৭৯৩ সালে কর্নওয়ালিস প্রশাসন কর্তৃক ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি সরকার ও বাংলার ভূমি মালিকদের (সকল শ্রেণির জমিদার ও স্বতন্ত্র তালুকদারদের) মধ্যে সম্পাদিত একটি স্থায়ী চুক্তি। এর প্রবক্তা লর্ড কর্নওয়ালিস। এ চুক্তির আওতায় জমিদার ঔপনিবেশিক রাষ্ট্রব্যবস্থায় ভূ-সম্পত্তির নিরঙ্কুশ স্বত্বাধিকারী হন। জমির স্বত্বাধিকারী হওয়া ছাড়াও জমিদারগণ স্বত্বাধিকারের সুবিধার সাথে চিরস্থায়ীভাবে অপরিবর্তনীয় এক নির্ধারিত হারের রাজস্বে জমিদারিস্বত্ব লাভ করেন। চুক্তির আওতায় জমিদারদের কাছে সরকারের রাজস্ব-দাবি বৃদ্ধির পথ রুদ্ধ হয়ে গেলেও জমিদারদের তরফ থেকে প্রজাদের ওপর রাজস্বের দাবি বৃদ্ধির ক্ষেত্রে কোনো বিধিনিষেধ আরোপিত হয় নি। জমিদারদের জমি বিক্রয়, বন্ধক, দান ইত্যাদি উপায়ে অবাধে হস্তান্তরের অধিকার থাকলেও তাদের প্রজা বা রায়তদের সে অধিকার দেওয়া হয়নি। নিয়মিত খাজনা পরিশোধ সাপেক্ষে উত্তরাধিকারক্রমে জমির মালিক থাকার প্রথাগত অধিকার রায়তদের থাকলেও জমি হস্তান্তরের অধিকার তাদের ছিল না। সরকারের বেলায় জমিদারদের অবশ্য একটি দায়দায়িত্ব কঠোরভাবে পালনীয় ছিল। সেটি হচ্ছে নিয়মিত সরকারের রাজস্ব দাবি পরিশোধ করা।

শ্রীরামপুরে মুদ্রণযন্ত্র স্থাপন (১৮২১ সাল)

বাংলার নবজাগরণের  ক্ষেত্রে  শ্রীরামপুরে প্রতিষ্ঠিত মুদ্রণযন্ত্রের ভূমিকা ছিল অনন্য। ১৮২১ সালে শ্রীরামপুরে মুদ্রণযন্ত্র স্থাপন বাংলার মানুষের মনকে মুক্ত করা ও জাগিয়ে তোলার ক্ষেত্রে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করে। এতে বই-পুস্তক ছেপে জ্ঞানচর্চাকে শিক্ষিত ও সাধারণ মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়ার পথ সুগম হয়। এ সময় অনেকে বাংলা ভাষায় সংবাদপত্র প্রকাশ করে জনমত সৃষ্টিতে এগিয়ে আসেন।

 

সিপাহি বিদ্রোহ (১০ মে ১৮৫৭ সাল)

১৮৫৭ সালের ১০ মে সিপাহি বিদ্রোহ বা সৈনিক বিদ্রোহ মিরাট শহরে শুরু হওয়া ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির সেনাবাহিনীর সিপাহিদের বিরুদ্ধে একটি বিদ্রোহ। যার মধ্যে আলেম ওলামাদের অবদান অপরিসীম। ক্রমশ এই বিদ্রোহ গোটা উত্তর ও মধ্য ভারতে (অধুনা উত্তরপ্রদেশ, বিহার, উত্তর মধ্যপ্রদেশ ও দিল্লি অঞ্চল) ছড়িয়ে পড়েছিল। এই সব অঞ্চলে বিদ্রোহীদের দমন করতে কোম্পানিকে যথেষ্ট বেগ পেতে হয়। সিপাহি বিদ্রোহকে ভারতের প্রথম স্বাধীনতা যুদ্ধ, মহাবিদ্রোহ, ভারতীয় বিদ্রোহ, ১৮৫৭ সালের বিদ্রোহ নামেও অভিহিত করা হয়ে থাকে।

বঙ্গীয় আইন সভা (১৮৬১ সাল)

বঙ্গীয় আইন সভা (Bengal Legislative Assembly) ভারত শাসন সংক্রান্ত ধারাবাহিকভাবে সাংবিধানিক সংস্কারের চূড়ান্ত  পরিণতি স্বরূপ গঠিত হয়েছিল। ১৮৬১ সাল থেকে শুরু করে ১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইন প্রণয়ন পর্যন্ত শাসন সংস্কারের শেষ পর্যায় হিসেবে বঙ্গীয় আইন সভার আত্মপ্রকাশ। ১৯৩৫ সালের আইনে বলা হয় যে, ব্রিটিশ ভারতের সকল প্রদেশের সাংবিধানিক পরিষদ প্রাপ্ত বয়স্কদের দেয়া ভোটে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের দ্বারা গঠিত হবে। ১৯৩৭ সালের সাধারণ নির্বাচনের মধ্য দিয়েই বেঙ্গল লেজিসলেটিভ অ্যাসেমব্লির যাত্রা শুরু।

বঙ্গভঙ্গ (১৬ অক্টোবর ১৯০৫ সাল)

উপমহাদেশে ব্রিটিশদের শাসনতান্ত্রিক ও রাজনৈতিক ইতিহাসের একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা বঙ্গভঙ্গ। ১৯০৫ সালের ১৬ অক্টোবর ব্রিটিশ ভারতের ভাইসরয় লর্ড জর্জ ন্যাথানিয়েল কার্জন শাসনকাজ পরিচালনার সুবিধার্থে তৎকালীন বাংলা প্রেসিডেন্সিকে ভেঙ্গে পূর্ববঙ্গ ও পশ্চিমবঙ্গ  নামে দুটি নতুন প্রদেশে বিভক্ত করেন।

লাহোর প্রস্তাব (২৩ মার্চ ১৯৪০ সাল

লাহোর প্রস্তাব বা পাকিস্তান প্রস্তাব, যাকে পাকিস্তানের স্বাধীনতার ঘোষণাও বলা হয়, তা হচ্ছে ভারতীয় উপমহাদেশে বসবাসকারী মুসলিমদের জন্য একটি পৃথক রাষ্ট্রের দাবী জানিয়ে উত্থাপিত প্রস্তাবনা। ১৯৪০ সালের ২৩ মার্চ লাহোরে অনুষ্ঠিত মুসলীম লীগের অধিবেশনে মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ এর সভাপতিত্বে মুসলিম লীগের পক্ষ হতে ঐতিহাসিক লাহোর প্রস্তাবের প্রারম্ভিক খসড়া তৈরি করেন পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী সিকান্দার হায়াত খান যা আলোচনা ও সংশোধনের জন্য নিখিল ভারত মুসলিম লীগের সাবজেক্ট কমিটি সমীপে পেশ করা হয়।

 

Courtesy: To all authorities from where documents are collected

N.B: Generally we try to update any news. For any Change, reform, and republished of any news we are not responsible.

For more update stay with our website jobstestbd.com

Hope You Find The Answer For the Class 8 Assignment Bangladesh and Global Studies (BGS) Subject. Ask me Anything Related to Education by comment below. 

 

Contact Us:

If you want to give advertisement in our website for any product of your organization please contact with us by following Address.

Inbox to Facebook: jobstestbd.com
Email at: jobstestbd.com@gmail.com
Contact No.: 01720403750

Mirpur 1, Dhaka, Bangladesh.

Leave a comment