BCS Viva Exam Tips

সকল চাকরির পরীক্ষার সময়সূচী ও ফলাফল মোবাইলে Notification পেতে নিচের Android apps মোবাইলে রাখেন: Jobs  EXam Alert 

BCS Viva Exam Tips is available below. bcs viva guide pdf, bcs viva book pdf, bcs viva book pdf download, bcs viva syllabus pdf, bcs viva dress code, jamil’s viva guide pdf, 40th BCS viva exam tips, BCS Viva Exam Tips Final Suggestions And Book List, How to read and take preparation for BCS viva exam., How to take preparation for the BCS viva exam, Some essential tips for BCS viva exam 2019, www.bpsc.gov.bd are the search option to get all information of BCS Viva Exam Special Tips.

 

 

 

 

BCS Viva Exam Tips:

সুত্রঃ কালের কন্ঠ

বিসিএস ভাইভার বিশেষ প্রস্তুতি ৩৮তম বিসিএস ভাইভার প্রথম পর্ব চলবে ৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। বিসিএস প্রিলিমিনারি ও লিখিত পরীক্ষার সিলেবাস থাকলেও ভাইভার কোনো নির্দিষ্ট সিলেবাস নেই। এ অবস্থায় কিভাবে প্রস্তুতি নিতে হবে—জানাচ্ছেন ৩৫তম বিসিএস (সাধারণ শিক্ষা) ক্যাডার রবিউল আলম লুইপা

বিসিএস ভাইভা প্রস্তুতির পরিধি বড়। বিসিএস ভাইভায় পাস করলে ক্যাডার না পেলেও নন-ক্যাডার বিভিন্ন পদে সুপারিশ পাওয়ার সম্ভাবনা থাকে, কিন্তু ভাইভা ফেল মানে সব শ্রম-সাধনা শেষ! তাই ভাইভার প্রস্তুতি নিতে হবে ঠিকঠাক উপায়ে, পরিকল্পনা করে।

বিসিএস ভাইভার প্রস্তুতি নিতে পারেন তিন স্তরে—

♦  ১. প্রথমে আপনার ব্যক্তিগত তথ্য, স্কুল-কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, জেলা, অনার্স বিষয়ের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য নিজে নিজেই নোট করবেন। এর জন্য—

ক) নিজের নামের অর্থ, আপনার নামে কোনো স্বনামধন্য ব্যক্তি, আপনার জন্মতারিখ বা সালে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির জন্ম ও ঘটনাগুলো সম্পর্কে জানতে হবে। সচরাচর সব ভাইভা শুরু হয় Introduce yourself প্রশ্নটি দিয়ে।

খ) আপনার স্কুল-কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাকাল, ওই প্রতিষ্ঠানে পড়াশোনা করা বিখ্যাত ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠানপ্রধানের নাম ও অন্যান্য সংশ্লিষ্ট বিষয়ের তথ্য সংগ্রহ করে নোট করবেন। যেমন—৩৫তম বিসিএস ভাইভায় আমাকে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক আবদুল মান্নান স্যার সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেছিলেন (তিনি তত্কালীন ইউজিসির চেয়ারম্যান ছিলেন)।

গ) আপনার নিজ জেলা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য : যেমন—জেলার আয়তন, সীমানা, নামকরণ, প্রতিষ্ঠা সাল, জনসংখ্যা, শিক্ষার হার, প্রধান ধর্ম ও উপজাতি, উপজেলা, বিখ্যাত ব্যক্তি, নদী, দর্শনীয় স্থান, পত্রপত্রিকা, সংসদের আসন ও সংসদ সদস্যদের নাম, মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর কমান্ডার, স্বীকৃতিপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধাদের নাম, মুক্তিযুদ্ধের সময়ের বিভিন্ন ঘটনা, শত্রুমুক্তির তারিখ, ভাষাসৈনিকদের নাম, চিহ্নিত রাজাকারদের নাম, জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, ইউএনও, জেলা ও উপজেলা চেয়ারম্যানদের নাম জেনে যেতে হবে।

ইংরেজিতেও বলা হতে পারে, Introduce your district.

ঘ) আপনার অনার্সে পঠিত বিষয় সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে হবে। এ ক্ষেত্রে আপনার অনার্সের সিলেবাস থেকে কোর্সগুলোর নাম, বেসিক বিষয়, আপনার পঠিত বিষয়ের জনকসহ সংশ্লিষ্ট যেকোনো বিষয়বস্তুর ওপর প্রশ্ন হতে পারে। অনেক পরীক্ষার্থীর ধারণা, শুধু জেনারেল ক্যাডার চয়েজ দিলে সংশ্লিষ্ট বিষয় থেকে কিছু জিজ্ঞেস করে না। এটা একেবারে ভুল ধারণা। জেনারেল ক্যাডারে ভাইভা দিলেও আপনার পঠিত বিষয় থেকে প্রশ্ন করা হতে পারে। কারণ আপনি উচ্চশিক্ষায় যা পড়েছেন, তা নিয়ে জিজ্ঞেস করলেই আপনার দক্ষতা বোঝা যাবে।

♦  ২. বিসিএস আবেদনের ক্যাডার চয়েজ তালিকায় আপনার পছন্দের ক্যাডারসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো পড়াশোনা করে যাবেন। সাধারণত আপনার পছন্দের প্রথম ও দ্বিতীয় ক্যাডার নিয়ে জিজ্ঞেস করা হয়। এর জন্য—

ক) প্রত্যেক ক্যাডারসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো নিয়ে গাইড বই পাবেন বাজারে, ভাইভা প্রিপারেশনের জন্য। প্রথমেই প্রফেসরসের বিসিএস ভাইভা সহায়িকা (সব ক্যাডার); অ্যাসুরেন্স, ওরাকল বা অন্যান্য প্রকাশনীর পররাষ্ট্র, প্রশাসন, পুলিশ ও অন্যান্য ক্যাডারসংশ্লিষ্ট বই থেকে আপনার পছন্দের ক্যাডারের বিস্তারিত জেনে নেবেন।

খ) আপনার পছন্দের ক্যাডারসংশ্লিষ্ট প্রশ্নের ধরন জানতে আপনার আগের ভাইভাপ্রার্থীদের ভাইভা প্রশ্নগুলো সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ করতে পারেন। ফেসবুকের জব প্রিপারেশন-সংক্রান্ত গ্রুপ ও পেইজ, যেমন—BCS Preparation BD (Largest Job Preparation Group) এ ক্ষেত্রে আপনার জন্য সহায়ক হতে পারে।

গ) আপনার পছন্দের ক্যাডারের পদসোপান, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও এর সচিব এবং মহাপরিচালকের নাম, সংশ্লিষ্ট পদক, ক্যাডারের স্বনামধন্য সাবেক ও বর্তমান কর্মকর্তাদের নাম, ট্রেনিং একাডেমি, আপনার পদায়নস্থল, বিভিন্ন পদের দায়িত্ব ও ক্ষমতা, সর্বোচ্চ স্তর বা গ্রেড, পছন্দের ক্যাডার, এর সঙ্গে নিজের পঠিত সাবজেক্টের সম্পর্ক ইত্যাদি বিষয়ে বিস্তারিত পড়াশোনা করে যাবেন।

ঘ) আপনার পছন্দ প্রশাসন ক্যাডার হলে—সহকারী কমিশনার, ইউএনও, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক, জেলা প্রশাসক, বিভাগীয় কমিশনারের দায়িত্ব ও ক্ষমতা, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেসির সময় প্রয়োগকৃত আইন ও দণ্ড, কেন্দ্রীয় প্রশাসন ও মাঠ প্রশাসন, বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব, মন্ত্রিপরিষদসচিব, ফৌজদারি কার্যবিধি প্রভৃতি সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে যাবেন। আপনার পছন্দ পুলিশ ক্যাডার হলে—পুলিশের বিভিন্ন পদের র্যাংক ব্যাজ, সহকারী পুলিশ সুপার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, পুলিশ সুপার, ডিআইজির দায়িত্ব ও ক্ষমতা, বাংলাদেশের বর্তমান ও সাবেক আইজিপির নাম, পুলিশ পদক, সারদা ও অন্যান্য পুলিশ ট্রেনিং একাডেমি, মুক্তিযুদ্ধে পুলিশের ভূমিকা, পুলিশের বিভিন্ন ব্রাঞ্চ, পুলিশ আইন ১৮৬১, পিআরবি, দণ্ডবিধি, ফৌজদারি কার্যবিধি, দেওয়ানি কার্যবিধি প্রভৃতি সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে যাবেন। আপনার পছন্দ স্বাস্থ্য বা শিক্ষা ক্যাডার হলে ক্যাডারসংশ্লিষ্ট তথ্যগুলোর সঙ্গে আপনার বিষয়ভিত্তিক প্রফেশনাল জ্ঞানও যাচাই করা হবে।

♦  ৩. সংবিধান, মুক্তিযুদ্ধ, বঙ্গবন্ধু, সাম্প্রতিক তথ্য, বাংলাদেশ, আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি-সংশ্লিষ্ট তথ্য প্রিলি ও লিখিত পরীক্ষার গাইড বই বা অন্য যেকোনো রেফারেন্স বই থেকে পড়ে নেবেন। এর জন্য—

ক) সংবিধান সম্পর্কে বিশ্লেষণাত্মক জ্ঞান ভাইভার জন্য অপরিহার্য। এ ক্ষেত্রে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সাদা রঙের মূল সংবিধান, আরিফ খানের সংবিধানের ব্যাখ্যামূলক বই, মো. আব্দুল হালিমের সংবিধানসংক্রান্ত বইগুলো দেখতে পারেন।

খ) বাংলাদেশ সরকারের একজন ভাবি কর্মকর্তা হিসেবে মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে আপনার পরিষ্কার জ্ঞান থাকতে হবে। মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট তথ্যগুলো যেমন—বাংলাদেশের ভাষা আন্দোলন, যুক্তফ্রন্ট, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, ছয় দফা, আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা, উনসত্তরের গণ-আন্দোলন, সত্তরের নির্বাচন, অপারেশন সার্চলাইট, স্বাধীনতার ঘোষণা, মুজিবনগর সরকার, অপারেশন জ্যাকপট, মুক্তিযোদ্ধাদের খেতাব,  সেক্টর ও সেক্টর কমান্ডার, বীরাঙ্গনা, বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ড, আত্মসমর্পণ চুক্তি, জাতীয় চার নেতা সম্পর্কে বিস্তারিত (নাম, জেলা, অবদান, জন্ম-মৃত্যু সাল, সন্তানদের নাম, সন্তানদের কর্মজীবন) জেনে যাবেন। অ্যান্থনি মাসকারেনহাসের ‘দ্য রেইপ অব বাংলাদেশ’, ‘লিগ্যাসি অব ব্লাড’, এম আর আক্তার মুকুলের ‘আমি বিজয় দেখেছি’, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট, সংবাদপত্রের বিভিন্ন আর্টিকল থেকে তথ্য নোট করে নেবেন। বাস্তব ধারণা নিতে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর, সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে যেতে পারেন।

গ) বাংলাদেশের জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, তাঁর জীবন ও সংগ্রাম, স্বাধীনতাসংগ্রামে তাঁর অবদান সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা রাখতে হবে। ১৫ আগস্টের হত্যাকাণ্ড, হত্যাকারীদের সম্পর্কে বিস্তারিত, হত্যাকাণ্ডের বিচার, ফাঁসি ও পলাতক আসামিদের অবস্থান সম্পর্কেও বিস্তারিত জেনে যাবেন। এ ক্ষেত্রে বঙ্গবন্ধুর লিখিত বই ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী ও কারাগারের রোজনামচা’, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার লেখা ‘শেখ মুজিব আমার পিতা’, আওয়ামী লীগের ওয়েবসাইট, উইকিপিডিয়া, বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে সংবাদপত্রের বিভিন্ন আর্টিকল—তথ্যসূত্র হতে পারে। ৭ই মার্চের ভাষণ, বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তনসংক্রান্ত ভিডিওগুলো অনলাইন থেকে দেখে নিতে পারেন। এ ছাড়া ধানমণ্ডির বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘর, গোপালগঞ্জের বঙ্গবন্ধুর সমাধিসৌধ পরিদর্শনের বাস্তব জ্ঞান আপনার পঠিত জ্ঞানকে আরো সমৃদ্ধ করবে।

ঘ) মুক্তিযুদ্ধ ছাড়াও বাংলায় মৌর্য-পাল-সেন-মুসলিম-সুলতানি-মোগল শাসন, ব্রিটিশ শাসন, পাকিস্তান রাষ্ট্রের ইতিহাসসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ আন্দোলন ও যুদ্ধ, যেমন—পানিপথের যুদ্ধ, পলাশীর যুদ্ধ, সিপাহি বিদ্রোহ, বঙ্গভঙ্গ, বঙ্গভঙ্গ রদ, নীল বিদ্রোহ, ফরায়েজি আন্দোলন, লাহোর প্রস্তাব, দ্বিজাতিতত্ত্ব, দেশ ভাগের ঘটনা ও এর সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের সম্পর্কে জানতে হবে।

ঙ) বর্তমান সরকারের উন্নয়নসংক্রান্ত তথ্য (যেমন—মেগা দশ প্রজেক্ট ও বিশেষ উদ্যোগগুলো), ভিশন-২০২১, ভিশন-২০৪১, সপ্তম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা ও সাম্প্রতিক বিভিন্ন ইস্যুর বিস্তারিত তথ্য (যেমন—ডেঙ্গু), এমনকি ভাইভার দিনে বাংলা/ইংরেজি/আরবি তারিখ ও সাল, ভাইভার দিনে গুরুত্বপূর্ণ পত্রিকার শিরোনাম ইত্যাদি থেকেও প্রশ্ন হতে পারে। এর জন্য ভাইভার সময়গুলোতে বাংলাদেশ টেলিভিশনের সংবাদ, দৈনিক সংবাদপত্র ও আওয়ামী লীগের ওয়েবসাইটে নিয়মিত চোখ রাখতে হবে।

চ) আপনি নারী পরীক্ষার্থী হলে নারী উন্নয়নসংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য জানতে হবে। নারীর ক্ষমতায়ন, CEDAW সনদ, সংবিধানে নারীসংক্রান্ত অনুচ্ছেদ, মন্ত্রিপরিষদে নারী, প্রশাসনে নারী ইত্যাদি সম্পর্কে নোট রাখবেন।

সকল চাকরির পরীক্ষার সময়সূচী ও ফলাফল মোবাইলে Notification পেতে নিচের Android apps মোবাইলে রাখেন: Jobs  EXam Alert 

ছ) বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান ও সীমানা, জাতীয় পতাকা, জাতীয় প্রতীক ও জাতীয় সংগীত, বিভিন্ন উপজাতি ও প্রাচীন জনপদ, সচিবালয়, মন্ত্রণালয়, অধিদপ্তর, পরিদপ্তর, বিভাগ, জেলা, উপজেলা, থানা, পৌরসভা, সিটি করপোরেশন, ওয়ারেন্ট অব প্রেসিডেন্স, রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি (রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, বিরোধীদলীয় নেত্রী, স্পিকার, সংসদ উপনেতা, চিফ হুইপ, প্রধান বিচারপতি, প্রধান নির্বাচন কমিশনার, মন্ত্রিপরিষদসচিব, তিন বাহিনীর প্রধান, আইজিপি, বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী-উপমন্ত্রী-সচিব, পিএসসির চেয়ারম্যান-সদস্যসচিব, এনবিআর চেয়ারম্যান, মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক) সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্যসূত্র থেকে জেনে নেবেন।

জ) প্রথম বিশ্বযুদ্ধ, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ, যুক্তরাষ্ট্র-চীন বাণিজ্য যুদ্ধ, যুক্তরাষ্ট্র-ইরান দ্বন্দ্ব্ব, ভারত-পাকিস্তান সম্পর্ক, কাশ্মীর সংকট, এমডিজি ও এসডিজি (সময়কাল, লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য, বাংলাদেশের সফলতা ইত্যাদি), রোহিঙ্গা ইস্যু, বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক, বাংলাদেশ-মিয়ানমার সম্পর্ক, বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক, বিশ্বকাপ ক্রিকেট-২০১৯ ইত্যাদি থেকেও প্রশ্ন হতে পারে।

‘বিসিএস ক্যাডার হওয়ার মতো কী যোগ্যতা তোমার আছে?’

মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বায়োটেকনোলজি অ্যান্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং থেকে পাস করে কী করব ঠিক বুঝে উঠতে পারছিলাম না। একবার ভেবেছিলাম, দেশের বাইরে চলে যাব। পরে এ চিন্তা বাদ দিয়ে সরকারি চাকরির জন্য প্রস্তুতি শুরু করি। প্রথমবারের মতো চাকরির ভাইভা দিই ৩৪তম বিসিএসে। প্রথমবার হওয়ায় মনে ভয় কাজ করছিল।

কিন্তু বোর্ড চেয়ারম্যান এতটাই আন্তরিক ছিলেন যে মুহূর্তের মধ্যেই ভাইভা বোর্ডের পরিবেশটা স্বাভাবিক লাগতে শুরু করে। বিষয়ভিত্তিক প্রশ্নগুলোর খুব সহজেই উত্তর দিই। ‘কেন প্রথম পছন্দ পুলিশ ক্যাডার?’ এর উত্তরে বলেছিলাম পুলিশের শৃঙ্খলাবোধ, পদক্রম অনুযায়ী সম্মান প্রদর্শন ও ইউনিফর্ম আমার খুব ভালো লাগে। তা ছাড়া দেশ সেবার জন্য পুলিশ হতে পারে এক উত্তম পেশা। কিন্তু তাঁরা আমার উত্তর কিছুতেই নিচ্ছিলেন না। পরিশেষে বলি—পুলিশে থেকে আমি জনগণের সংস্পর্শে যত সহজে আসতে পারব, অন্য পেশা থেকে ততটা সম্ভব নয়। আর জনগণের সংস্পর্শে থেকে জনগণের জন্য কিছু একটা করতে চাই। এবার তাঁরা উত্তর নিলেন। তবে খুব বেশি সন্তুষ্ট হতে পারেননি বুঝতে পারলাম। প্রথম দিকে ভালো করলেও শেষ দিকে গিয়ে খেই হারিয়ে ফেলি। এই বিসিএস থেকে ক্যাডারপ্রাপ্তির আশা ছিল না, পাইওনি।

জীবনের দ্বিতীয় ভাইভা দিই এক্সপোর্ট ইমপোর্ট ব্যাংকে, ট্রেইনি অফিসার পদে। ভাইভা বোর্ডের একজন জিজ্ঞেস করেছিলেন ‘আপনি বিজ্ঞানের ছাত্র, আপনাকে আমরা ব্যাংকে কেন নেব?’ আমি বলেছিলাম, আমার পঠিত বিষয়ের সঙ্গে হয়তো ব্যাংক সেক্টরের সরাসরি সম্পর্ক নেই, তবে ব্যাংকে বিজ্ঞানের ছাত্র প্রয়োজন আছে। আর বিজ্ঞানের ছাত্র হিসেবে গণিতে আমি সব সময়ই ভালো। ‘গণিতে ভালো’ বলায় একটি সুদকষার অঙ্ক করতে বলা হয়। কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই অঙ্কটি করে দেখাই। একজন ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার ও শেয়ারবাজারের ওপর বেশ কয়েকটি প্রশ্ন করেছিলেন। আমি ঝটপট উত্তর দিয়েছিলাম। ভাইভা বোর্ডের সবাই সন্তুষ্ট হয়েছিলেন। চলে আসার সময় আমাকে জিজ্ঞেস করেছিলেন—চাকরিটা পেলে আমি করব কি না?

পরে চাকরিটা পেলেও আর যোগ দেওয়া হয়নি।

সহকারী থানা শিক্ষা অফিসার পদে দেওয়া ভাইভায় বোর্ডের একজন মেম্বার একটু রাগী প্রকৃতির ছিলেন। আমার রুমে প্রবেশ, চেয়ারে বসে থাকা থেকে শুরু করে প্রতিটি উচ্চারণের শুদ্ধি-অশুদ্ধি তিনি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছিলেন। আরেকজন মেম্বার জানতে চান—সহকারী থানা শিক্ষা অফিসার হিসেবে নিয়োগ পেলে আমার কাজ কী হবে? সততার সঙ্গে কাজ করতে গেলে কী কী বাধা আসবে, স্কুল পরিদর্শনে গিয়ে কী কী বিষয় দেখব। বেশ ভালোভাবেই প্রশ্নটার উত্তর দিই। কিন্তু বিপত্তি বাধে ‘শিক্ষক’ না বলে ভুলে এর ইংরেজি শব্দ ‘টিচার’ বলে ফেলায়। কেন বাংলা না বলে ইংরেজিতে টিচার বললাম, বাংলার সঙ্গে কেন ইংরেজি মেশালাম—এটা নিয়ে তাঁরা অনেকক্ষণ পেঁচিয়েছেন। ভাইভা শেষে বের হওয়ার সময় বোর্ড চেয়ারম্যান আবারও ডাক দিলেন। আমার দিকে অনেকক্ষণ তাকিয়ে থেকে বললেন, দেশের কোন জেলায় শিক্ষার হার সবচেয়ে বেশি বলতে পারবা? জানা এ প্রশ্নটি কিছুতেই মাথায় আসছিল না। একবার ভুল বলায় তাঁরা পরস্পরের দিকে তাকিয়ে হাসছিলেন। বাংলাদেশে কতগুলো সরকারি প্রাইমারি স্কুল আছে, বলতে পারবা? পড়ে আসা জিনিসগুলো মাথায় ছিল, কিন্তু মুখে আসছিল না। আমি প্রাইমারি স্কুল বলার পরিবর্তে বলে ফেলি প্রাথমিক স্কুল। এবার আর তাঁরা হাসি কোনোভাবেই চেপে রাখতে পারেননি। তিক্ত এ ভাইভার কথা মনে হলে আজও আমার হাসি পায়।

সবচেয়ে দীর্ঘ সময় ধরে ভাইভা দিই ৩৬তম বিসিএসে। ভাইভা বোর্ডে ঢুকে অনুমতি নিয়ে চেয়ারে বসতে যাব—ঠিক তখনই বোর্ড চেয়ারম্যান বললেন, তুমি দাঁড়িয়ে বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবসের ওপর তিন মিনিট বক্তৃতা দাও। বক্তৃতা শেষে বসতে বলার পর একের পর এক প্রশ্ন করা শুরু করলেন। সবচেয়ে বেশি প্রশ্ন করেছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নিয়ে। একজন এক্সটার্নাল কয়েকটা বাংলা ও ইংরেজি বানান লিখতে দিয়েছিলেন। সব বানানই শুদ্ধ লিখেছিলাম। তা ছাড়া সংবিধান, পঠিত বিষয়, মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কিত সব প্রশ্নেরই সাবলীল উত্তর প্রদান করেছিলাম। ভাইভা বেশ ভালো হলেও এই বিসিএসে ক্যাডার পাওয়া হয়ে ওঠেনি।

সর্বশেষ ভাইভা দিই ৩৭তম বিসিএসে। রুমে ঢুকে চেয়ারে বসতে না বসতেই বোর্ড চেয়ারম্যান আমাকে জিজ্ঞেস করলেন, দুই আর দুইয়ে চার হয়, দুই আর দুইয়ে আর কত হয়? খানিকটা ভেবে বললাম ২২ হয় স্যার। উত্তর শুনে তিনি মুচকি হাসছিলেন। তারপর জিজ্ঞেস করলেন, পুলিশে আসতে চাচ্ছ? এটা তো অনেক চ্যালেঞ্জিং পেশা। গুলি করতে পারবে মানুষের বুকে? আমি উত্তর দিলাম—দেশ, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য আমি আমার প্রাণ উত্সর্গ করতে রাজি আছি স্যার। উত্তর শোনার পর তাঁরা তিনজনই কিচ্ছুক্ষণ আমার দিকে তাকিয়ে ছিলেন। ভাইভার একেবারে শেষের দিকে এক্সটার্নাল স্যার আমাকে বললেন, তোমাকে লাস্ট একটা প্রশ্ন করব, বুঝে-শুনে উত্তর দেবে। বিসিএস ক্যাডার হওয়ার মতো কী যোগ্যতা তোমার আছে, আমরা তোমাকে কেন নেব? একটু ভেবে বললাম, স্যার বিজ্ঞাপনে উল্লিখিত শর্ত পূরণ করে প্রিলি ও লিখিত পাস করে ভাইভার জন্য আমি আপনাদের সামনে। আর আমি মনে করি, দেশের স্বার্থে আমাকে আপনারা যেভাবে গড়ে তুলতে চাইবেন ঠিক সেভাবেই গড়ে তুলতে পারবেন। আমি আরো মনে করি, এটাই আমার সবচেয়ে বড় যোগ্যতা। তাঁরা আমাকে শুভকামনা জানিয়ে আসতে বললেন। এ ভাইভায় প্রায় সব প্রশ্নের সঠিক উত্তর দিতে পেরেছিলাম। ফল প্রকাশের পর দেখি, আমি পুলিশ ক্যাডারে অষ্টম হয়েছি।

ভাইভা নিয়ে অনেকের মধ্যেই একটা ভীতি কাজ করে। তবে নিয়মমাফিক প্রস্তুতি নিতে থাকলে এ ভীতি অনেকাংশেই কেটে যাবে। নিজের প্রতি দৃঢ় বিশ্বাস আর বিনয়ের সঙ্গে ভাইভা বোর্ডকে কনভিন্স করতে পারলে কাঙ্ক্ষিত সাফল্য অর্জন করা সম্ভব হবে।

Courtesy: To all authorities from where documents are collected

N.B: Generally we try to update any news. For any Change, reform and  republished of any news we are not responsible.

For more update stay with our website jobstestbd.com

BCS Viva Exam Tips:

BCS Viva Exam Tips Final Suggestions And Book List is available above. Bangladesh Public Service Commission (BPSC) Viva Date will publish soon. Bangladesh Public Service Commission (BPSC) Circular update at bpsc.gov.bd. Bangladesh Public Service Commission (BPSC) Circular has published. Bangladesh Public Service Commission (BPSC) is one of Government organization in Bangladesh. Bangladesh Public Service Commission (BPSC) has published a huge job circular by the Authority. All information regarding the appointment of Bangladesh Public Service Commission (BPSC) are given on our website jobstestbd.com. We Publish all Jobs Circular Every day, Such as Government Jobs in Bangladesh, Bank Jobs in Bangladesh, Private Jobs in Bangladesh, International NGO in Bangladesh, Private Company in Bangladesh, Private University Jobs in Bangladesh. Bank Jobs Results, Government Jobs Results, Government University Jobs result in Bangladesh and all Part time Jobs in Bangladesh and other educational support are available here in our website. We provide different types of job information with also provide some effective information or resource and job tips which helps to get job easily. We trust that our distributing data helps the activity searchers who are finding a superior employment. We likewise share slanting assets for learner uniquely who is re expanding their insight. Our principle target turns into a trusty occupations round site in Bangladesh by distributing a genuine refresh that enables the joblessness to individuals. All the jobs of this website is not for the unemployed people but also employed people too. All type of suggestions, question solutions of different competitive exam are available here. We provide all type of educational support in our website jobstestbd.com. So everyday tune with our website for all kinds of educational support. Please like our facebook page jobstestbd.com.

 

 

 

Contact Us:

If you want to give advertisement in our website for any product of your organization  please contact with us by following Address.

 

 

Inbox to Facebook: jobstestbd.com
Email at : jobstestbd.com@gmail.com
Contact No.: 01720403750

 

Mirpur 1, Dhaka, Bangladesh.

Leave a comment

About Abd Mamin

I am very simple and general.
View all posts by Abd Mamin →